আমেরিকার প্লাস ইজরায়েল বনাম ইরাক যুদ্ধের মিসাইলের ব্যপক ব্যবহার

তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দোরগোড়ায় কি আমরা পৌঁছে গেছি। এ প্রশ্ন উঠছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ দিনে দিনে ব্যপকতা বাড়ছে। ইতিমধ্যে সাত-আটটি দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে এরিয়াল যুদ্ধই প্রাধান্য পাচ্ছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল ভাবতে পারনি ইরান এভাবে প্রত্যাঘাত করবে। এবার আমরা দেখব ইজরায়েল-ইরান-আমেরিকার যুদ্ধে প্রথম দুদিনে ইরানের কত মিসাইল, ড্রোন ব্যবহার করেছে। জানলে চমকে যাবেন।  যুদ্ধের শুরুতেই আকাশ পথে মিসাইল ও ড্রোনের এটা কোনও আনুমানিক সংখ্যা না, যুদ্ধে অংশ নেওয়া, আঘাত পাওয়া রাষ্ট্রের বিবৃতি থেকে তৈরি। তবে মাথায় রাখতে হবে একটা মিসাইল ও ড্রোন আটকাতে বিপক্ষকে কম করে দুটো বা তিনটে মিসাইল প্রোয়গ করতে হয়। ইরান কুয়েতে হামলা চালিয়েছে  ৯৭টা ব্যালাস্টিক মিসাইল , ২৮৩টা ড্রোনে। বাহারিনের আমেরিকার ফিফথ ফ্লিটের প্রধান দপ্তরে ৪৫ টা মিসাইল ও ১৩৬ টা ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। জর্ডনেও ১৩ টা৷ মিসাইল ও ৪৯ টা ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান।  এই তথ্য শুধুমাত্র প্রথম দুদিনের। ইরান সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে সংযুক্ত আমির আমিরতে। ইরান ব্যবহার করেছে ১৬৫ টা ব্যালাস্টিক মিসাইল, ২টো ক্রুজ মিসাইল ও ৫৪১ টা ড্রোন।  এই পরিসংখ্যান থেকে আন্দাজ করা যায়। ব্যপকহারে মিসাইল ও ড্রোনের ব্যবহার চালাচ্ছে যুদ্ধে জড়িত সবপক্ষই।